Description
Cawfol Plant
নিচে কাউফল গাছের পরিচিতি, উপকারিতা, গাছ লাগানোর নিয়ম ও পরিচর্যা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো Cawfol Plant
কাউফল গাছের পরিচিতি:
কাউফল (Baccaurea ramiflora) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক ধরনের আদি ফলদ বৃক্ষ। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে এটি পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এটি “কাউ”, “কাউফল” কিংবা “লটকন” নামেও পরিচিত। যদিও কাউফল ও লটকন দেখতে প্রায় একই রকম, কাউফল তুলনামূলকভাবে বড় এবং এর স্বাদ কিছুটা টক-মিষ্টি ধরনের হয়।
গাছের বৈশিষ্ট্য:
- গাছটি মাঝারি আকারের এবং সোজা কাণ্ডবিশিষ্ট।
- পাতা লম্বা ও গাঢ় সবুজ।
- ফলগুলো থোকায় থোকায় গাছের ডালের গোঁড়ায় ধরে।
- ফলের খোসা পাতলা এবং ভেতরে সাদা রসালো অংশ থাকে।
কাউফলের উপকারিতা:
১. পাচনক্রিয়া উন্নত করে: কাউফলে থাকা প্রাকৃতিক এসিড ও ফাইবার হজমে সহায়তা করে। ২. রক্ত পরিষ্কারক: এটি দেহের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে রক্তকে পরিশোধন করে। ৩. ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধি: ভিটামিন C থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। 4. ত্বক ও চুলের যত্নে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে এটি ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। ৫. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: স্বাভাবিক মাত্রায় খেলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। ৬. দাঁত ও মাড়ির জন্য উপকারী: টক গুণের কারণে এটি দাঁত ও মাড়ির সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়ক।
গাছ লাগানোর নিয়ম:
১. জমি ও মাটি নির্বাচন:
- উঁচু, পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা আছে এমন জমি নির্বাচন করুন।
- দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি গাছের জন্য উপযুক্ত।
২. চারা রোপণের সময়:
- যেকোনো সময় গাছ লাগানো যায়।
- তবে নিয়মিত পানি দিতে হবে।
- টবে বা মাঠে লাগানো যায়।
৩. গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ:
- গর্তের আকার: ১.৫ ফুট গভীর x ১.৫ ফুট চওড়া।
- প্রতি গর্তে প্রয়োগ করুন:
- ৫-৭ কেজি পচা গোবর
- ৫০ গ্রাম টিএসপি
- ৩০ গ্রাম এমওপি
- সার মিশিয়ে গর্ত তৈরি করে ৭ দিন খালি রেখে দিন, তারপর চারা রোপণ করুন।
৪. রোপণ পদ্ধতি:
- চারা রোপণের সময় মূলের চারপাশে হালকা চাপ দিয়ে মাটি বসিয়ে দিন।
- গাছের গোড়ায় পানি দিন এবং ছায়া দেওয়ার জন্য সাময়িকভাবে ছাউনি ব্যবহার করা যেতে পারে।
পরিচর্যা:
১. সেচ ও পানি:
- বর্ষা বাদে শুকনো মৌসুমে গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি দিতে হবে।
- অতিরিক্ত পানি যাতে জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করুন।
২. আগাছা নিয়ন্ত্রণ:
- গাছের গোড়া থেকে আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবে।
- আগাছা গাছের পুষ্টি গ্রহণে বাধা দেয়, তাই নিয়মিত পরিষ্কার জরুরি।
৩. সার প্রয়োগ:
- বছরে দুইবার (বসন্ত ও বর্ষার আগে) জৈব সার ও কিছু পরিমাণ রাসায়নিক সার দিতে পারেন:
- ইউরিয়া ৫০ গ্রাম, টিএসপি ১০০ গ্রাম, এমওপি ৫০ গ্রাম।
- গাছ বড় হলে সার প্রয়োগের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
৪. গাছের ছাঁটাই:
- প্রতিবছর ফল শেষে মরা ও অতিরিক্ত ডাল ছেঁটে দিন যাতে আলো-বাতাস চলাচল সহজ হয়।
৫. পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন:
- সাধারণত পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হলেও, ফল পোকা বা পাতায় দাগ পড়লে প্রয়োজনীয় কীটনাশক প্রয়োগ করুন।
ফল ধারণ ও সংগ্রহ:
- গাছ সাধারণত ৩-৫ বছরে ফল দেওয়া শুরু করে।
- ফল জুন-জুলাই মাসে সংগ্রহ উপযোগী হয়।
- পরিপক্ব ফল হাত দিয়ে সহজেই ছিঁড়ে নেওয়া যায়।
Know More Details Just Call- 01861543144
Got Nursery Related Tips and Trikes Please Join Our Facebook Group














Reviews
There are no reviews yet.